বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
কোনো ভাইয়ের রাজনীতি করিনি, দলকে ভালোবেসে দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি নাসিক ৪নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সোনারগাঁও–সিদ্ধিরগঞ্জ আমার স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও অধিকার: গোলাম মসীহ্ বিএনপিতে মীরজাফরদের ঠাঁই হবে না : আজহারুল ইসলাম মান্নান রূপগঞ্জে ধানের শীষে ভোট চেয়ে উঠান বৈঠক সিদ্ধিরগঞ্জে ৭নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের পরিচিত সভা, দোয়া ও মিলাদ নারায়ণগঞ্জ জেলা জিয়া সৈনিক দলের কার্যালয় উদ্বোধন সিদ্ধিরগঞ্জে ৭নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের পরিচিত সভা, দোয়া ও মিলাদ সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রদল নেতা আবিরের নেতৃত্বে নেতাকর্মী নিয়ে ধানের শীষের গনসংযোগে অংশগ্রহণ সিদ্ধিরগঞ্জে তাতীঁদল নেতা মোহর চাঁনের উদ্যোগে ধানের শীষের গনসংযোগ

নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠকসহ আটক – ২

নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর এলাকার ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির এক সংগঠকসহ দুজনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রবিবার (৯ মার্চ) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী।
আটকরা হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সংগঠক জিদান হোসেন ও তার সহযোগী ইকবাল হোসেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, খানপুরস্থ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে মো. জিদান হোসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয় দিয়ে হাসপাতালের স্টাফদের হুমকি-ধমকিসহ বিভিন্নভাবে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি হাসপাতালের ভেতরে ইয়াবা সেবনসহ বিক্রিও করতেন। এ বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী সেনাবাহিনীর কাছে অভিযোগ জানালে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে হাসপাতালের অভ্যন্তর থেকে সংগঠক জিদান হোসেন ও ইকবাল হোসেনকে আটক করে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির আহ্বায়ক নিরব রায়হান বলেন,‘ মো. জিদান হোসেন জেলা কমিটির সংগঠক ছিলেন।
তাকে আটকের বিষয়টি আমরাও জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে আমরাও সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেব।’
নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) ডা. এম এ বাশার বলেন, ‘যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে নিয়ে গেছে। তাদের মধ্যে একজন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক বলে জানতে পেরেছি।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন জানান, মো. জিদান পূর্বে রং মিস্ত্রি ইন্টেরিয়রের কাজ করতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তার পিঠে ছররা গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। এর পর থেকে জিদান সমন্বয়ক বনে যান। তিনি নিজে ইয়াবা খেতেন, বিক্রিও করতেন। পাশাপাশি খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে দালালিও করতেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী জিদান ও ইকবালকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত